চিত্তরঞ্জন গিরি
গতানুগতিক টিমটিম করে আলো। সাঁতার কাটছি সেই কবে কাল থেকে। শ্বাস নিতে গিয়ে ফুসফুসে কাটে দাগ। কি জানি,আমার আমি যে কবে হবে শাঁসালো।
ধিকি ধিকি শ্বাস বইছে তবুও ফাটলে। চোখ রাঙানিতে গ্রীষ্ম আজ পাড়ার রাগী মস্তান। আম-কাঁঠালের গন্ধ তবুও রেখেছে আদর করে।
বৈশাখ আজ বৈশাখীতে ,গান বাঁধে তার আঁচলে।
হাঁসফাঁস মন কাটাই যখন রৌদ্র আগুন সরায় ।
বর্ষার মেঘ স্নেহের পরশ আঁকিবুকি খেলে শরীর।
টুপ টাপ টুপ বৃষ্টি আঁকে মন দরিয়ায় মাঝি।
টগর জুঁই মাধবীলতা মেঘমন্দ্রিত কাব্যে ছন্দ ভরায়
না পাওয়ার ধন অতি পাওয়াতে বিপত্তি এসে হাজির।ধূ ধূ বালুচর মরীচিকা মন ভরা কোটাল আনে শ্রাবণ।
সব ভেসে যায় রামধনু রং কাঁঠালি চাঁপার সাথে।
আমি বন্য আমি অরণ্য কাশফুলে জাগে শরীর।
পূজোর গন্ধে মল্লিকা বনে ছিন্ন পাতার তরণী সাজাই।
মেঠোপথে দিয়ে, ভেসে যায় মেঘ, শারদভেলায় করে।
নীলের ফাঁকে, নীলেই মজে, মেঘ ও রৌদ্রে ,কষাটে শরীর ,মেহেন্দি বসে আঁকে।
ডুকরে ওঠা যত কান্না চোখের নদীতে ভাষাই।
বলাকারা আজ নীল ভেদ করে ভেসে যায় কোন সুদূরে
পারের কড়ি সামিয়ানায় যায় নিয়ে যায় ঝরা শিউলি। নবান্নের স্বাদ পেতে না পেতেই দুরুদুরু বুকে জেগে থাকে কত আমলকি, শীতের কুয়াশার চাদর গায়ে হাজির হই আবার অচেনা আসরে।
তোর কথা আমি বলি ,আমার কথা তুই ।এই ভাবেই চলি পরস্পর। লেপের ভিতরে তেপান্তর টগবগিয়ে ছুটে ঘোড়া। ঢেউয়ের উপর ঢেউ চলে যায়। শূন্যে ভাসে ঘর।
শীতের শুন্যে উদাস বাউল হতাশ গানের সুর। পাতা ঝরার শব্দ দিয়ে এগিয়ে চলে নদী।অস্তরাগের রাগ রাগিনী পড়ন্ত বিকেল ঠিক যেন ভগ্ন উপকূল। মায়া ভরা দৃষ্টি সুধা মেঘ ভাঙ্গা রোদ্দুর।
তারপর। বিষন্নতার ধূসর গোধূলি ওড়না সরিয়ে চোখের ইশারায় ডাকে দিয়ে যায় মহুয়া পলাশ কৃষ্ণচূড়া। আলোয় ভরা মেঘ দুপুরে, কুহু কুহু কোকিল যেনো,গানের স্বরলিপি। রামধনুর রং মাখতে মাখতে উতল হাওয়ায় ভাসি।
এমনিভাবেই তাপীয় গানে সুখ-দুঃখ মগ্ন প্রাণে
আবার গ্রীষ্মে ফিরে আসি।
My address
Chitta Ranjan Giri
C-03 Sreenagar paschimpara panchasayar road
Post -panchasayar
Kolkata 700094
West Bengal India
Mobile and what's app8617212716
No comments:
Post a Comment